13/09/2026
কোন প্রাণীকেই একজন মানুষ হিসেবে আমাদের কষ্ট দেওয়া উচিত না। আমাদের দেয়া কষ্ট তাদের মনে কতটা প্রভাব ফেলে তার প্রমাণ আমরা হাতে হাতে পেয়েছি। আমাদের আদরের ছোট্ট টুকটুকি বিড়ালটাকে ওর মা বিড়ালটা মেরে ফেলেছে। 🥺🥺🥺 কারণটা কি জানেন...?
তার কারণ হচ্ছে বিড়ালটাকে মানুষ স্পর্শ করতো, আদর করত। এই ব্যাপারটাই মা বেড়ালটার সহ্য হতো না।এর আগেও এই্ মা বিড়ালের আরো অনেক বিড়াল ছাড়া হয়েছিল ওদের কেউ ও নিজেই মেরে ফেলেছে শুধুমাত্র মানুষ স্পর্শ করতে বলে। হয়তো মানুষ ওর সাথে এমন কোন নিষ্ঠুর আচরণ করেছে যে জন্য মানুষ ওর বাচ্চাদের স্পর্শ করলে ও সেটাকে অনেক ঘৃণার চোখে দেখতো। যখনি আমরা বেড়ালটাকে আদর করতাম ও ওর মা বিড়ালের কাছে যেত তখন ওকে আঁচড় দিত। আবার কিছুক্ষণ পরে ওকে দুধও খাওয়াতো। তাই হঠাৎ করে ও যখন আমাদের এখানে আসছিল না আমরা আসলে বুঝতে পারিনি যে ও আর আমাদের মাঝে নেই। আমরা ভেবেছিলাম ওর মায়ের সাথে আছে আবার এক দুইদিন পর চলে আসবে। কিন্তু পাশের বাড়ির যে মেয়েটা আমাকে এই বিড়ালটা দিয়েছিল দুদিন পর ওর কাছ থেকে জানতে পারলাম ওদের বাসার পেছনের দিকে আমাদের টুকটুকি মরে পড়ে আছে। আর ওর মাকে ওকে আঘাত করতে ওরা দেখেছিল।
ছোট্ট একটা বিড়াল অথচ ওর উপস্থিতি আমাদের ঘরটাকে মাতিয়ে রাখত। এই অল্প সময়ের মধ্যে ওর প্রতি আমাদের যে ভালোবাসা জন্মেছিল আমরা তা টেরও পাইনি। ওর অভাব আমাদের সেটা বুঝিয়ে দিয়ে গিয়েছে যে, কথা না বলেও মানুষের ভালোবাসা আদায় করা যায়, মানুষের মনে জায়গা করে নেওয়া যায়।
যারা বিড়াল পালেন ,আমি জানি না তাদের বিড়াল যখন মারা যায় তাদের মনের অবস্থাটা কেমন হয়। অবশ্য যারা পশু প্রাণী পালন পালন করেন হঠাৎ করে তাদের অনুপস্থিতি তাদের মনে অনেক বড় একটা শূন্যতা তৈরি করে যায়। যা চাইলেই সহজে ভোলা যায় না।