01/02/2025
হোক বিড়াল, কুকুর, পাখি, বাঘ, হাতি বা অন্য কোনো প্রাণী—যে প্রাণী পালে, সে বুঝে প্রাণীদের মায়া। আর যে পালে না, সে হয়তো তাদের কষ্ট অনুভব করতে পারবে না।
পৃথিবীর রাস্তায় থাকা প্রাণীরা প্রতিদিন বেঁচে থাকার জন্য যু*দ্ধ করে, শুধু একটু খাবারের জন্য। তাদের জীবন বাসার প্রাণীদের মতো নয়। বাসার প্রাণীরা দিনে তিনবেলা খাবার পায়, অথচ রাস্তার বিড়াল, কু*কু*র, পাখিরা ক*ষ্ট পায়। কেউ গরম পানি ছুড়ে মা*রে, কেউ আ*ঘা*ত করে, কেউ আবার প্রাণ কেঁড়ে নেয়।
বাসার প্রাণীরা বৃষ্টিতে ভিজে না, তারা ঘরে থাকে। কিন্তু বাহিরের প্রাণীরা বৃষ্টিতে ভিজে আশ্রয়ের খোঁজ করে। শীতের দিনে বাসার প্রাণীরা কম্বলের নিচে আরামে ঘুমায়, আর বাহিরের প্রাণীরা শীতে কাঁপে। ওরা আসলেই অসহায়, ওদের কেউ নেই।
একটু খাবারের আশায় তারা মানুষের কাছে আসে, কিন্তু বদলে পায় আঘাত ও অত্যাচার। যদি ওদের ক্ষুধা না থাকত, তাহলে হয়তো পৃথিবীর কোনো মানুষের কাছে ধরা দিত না। মানুষ কীভাবে পারে একটা অবুঝ প্রাণীকে মা*র*তে? যারা কথা বলতে পারে না, প্রতিরোধ করতে পারে না, তাদের ওপর এত নির্দয় আচরণ কেন?
মাঝেমধ্যে এমন কিছু নিষ্ঠুরতার ছবি চোখের সামনে আসে, যা হৃদয় কাঁপিয়ে দেয়। সত্যিই, কিছু মানুষ কতটা পাষাণ হলে এভাবে প্রাণীদের কষ্ট দিতে পারে! যদি আমার সামর্থ্য থাকত, তাহলে প্রতিদিন ওদের অন্তত একবেলা খাবার দিতাম।
বিড়াল, কুকুর—সব প্রাণীই বেঁচে থাকার জন্য শিকার করে খায়। মানুষ তো সবাই খাবার দেবে না, তাই ক্ষুধার যন্ত্রণায় হাঁস-মুরগি ধরে খেলে কি তাদের মৃ*ত্যু*দ*ণ্ড দেওয়া উচিত?
আমি অনুরোধ করব, মা*রা*র আগে একবার ওদের মায়াভরা চোখের দিকে তাকাও। তোমার পাষাণ মনও হয়তো গলে যাবে...